Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

কিভাবে ডোমেইন নেম নির্বাচন অথবা পছন্দ করবেন?

ডোমেইন নেম নির্বাচন করা বা পছন্দ করা গুরুত্বর্পূণ বিষয় যেকোন অনলাইন বিজনেসের জন্য। যদি আপনার টিম মেম্বার ছোট আকারের হয় সেক্ষেত্রে ডোমেইন নেম নির্বাচন করা  বা পছন্দ করা আরও গুরত্বপূর্ন। যাইহোক আমি স্বল্প জ্ঞ্যানধারী সেই স্বল্প জ্ঞ্যান থেকে আপনাদের সাথে কিছু তথ্য শেয়ার করবো হয়তো অনেকের কাজে লাগতে পারে। মনে রাখবেন ছোট একটা ভুল আপনার ব্যবসা, পন্য প্রমোট বা সেবা র্সাচ ইন্জিনে ‌র‌্যাংক করতে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে ভাল হয় অভিজ্ঞদের মতামত নেয়া, মুলত গুগলের মতো সার্চ ইন্জিনের সহায়তা নেয়া। ডোমেইন নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ন দিক গুলি আমি আজ আপনাদের সাথে তুলে ধরবো।

ডোমেইন কাকে বলে?

আমি একটু গল্পাকারে বলি যেন সবাই বুঝতে পারে, ধরুন আপনার একটি শোরুম আছে। অবশ্যই এটার একটি ঠিকানা থাকবে এবং এই শোরুম থেকে আপনি আপনার ব্যবসা পরিচালনা করবেন। এটাকে আপনার অফিসও বলতে পারেন। আপনার অফিস বা শোরুমের যেমন ঠিকানা থাকে তেমন আপনার ইন্টারনেটে ইকর্মাস, ব্লগ বা সেবা প্রদানকারী ওয়েবসাইটের একটি ঠিকানা থাকে একেই ডোমেইন বলে। যেমন: আমার এসইও সেবা প্রদানকারী ওয়েব সাইটের ডোমেইনের নাম shamimgypsy.com আবার বাংলাভাষী মানুষদের জন্য emarketingbd.shamimgypsy.com যা আমার মেইন ডোমেইনের সাব ডোমেইন।
কেন ডোমেইন নির্বাচন করবেন?
ডোমেইন নেম নির্বাচনের আগে সবার মাথায় রাখতে হবে আপনি কেন ডোমেইন নেম কিনতে যাচ্ছেন। আপনার
১. ওয়েবসাইটটি কি বিষয়ক?
২. কোন শ্রেনীর ভিজিটর আপনি কামনা করেন?
৩. কোন অঞ্চলের ভিজিটর আপনি কামনা করেন? সেই অঞ্চলের ভিজিটর কোন কোন কিওর্য়াডে সার্চ ইন্জিনে র্সাচ করেন?

যারা নতুন তারা হয়তো ভাবছেন কেন ডোমেইন নির্বাচনের আগে এসব ভাবতে হবে? এখন আমি আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো কিভাবে ডোমেইন নেম সার্চ ইন্জিন কে প্রভাবিত করে। যেহেতু আমার এই ব্লগটি বাংলা ভাষায় সেকারনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ডোমেইন নির্বাচন করার পদ্ধতি তুলে ধরবো। ধরুন আপনি বাংলাদেশের জন্য একটা ইকর্মাস ওয়েবসাইট তৈরী করতে যাচ্ছেন তাহলে প্রথম প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে ওয়েবসাইট হচ্ছে শপিং বিষয়ক।
২য় প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে আপনার উপর। যদি আপনার ইকর্মাস ওয়েবসাইটটি লেডিস আইটেম সংক্রান্ত হয় সেক্ষেত্রে আপনার কাঙ্খিত বেশীর ভাগ ক্রেতা বা ভিজিটর হবে নারীরা। এক্ষেত্রে মেয়েদের পন্য রিলেটেড কিওর্য়াড ডোমেইনে থাকা অবশ্যই বুদ্ধিমানের হবে। তবে আমি আপনাদের এটা বলছিনা যে ডোমেইন নেম কিওয়ার্ডের সাথে ম্যাচ করলেই আপনার ওয়েবসাইট টপ লিষ্টে দেখাবে। ২০০+ ফ্যাক্টের উপর নির্ভর করে গুগুল রেজাল্ট শো করে। তবে আপনার মেইন কিওর্য়াড অনুসারে ডোমেইন নির্বাচন করলে সেটা র‌্যাংকিং করা অনেক সোজা হবে।
৩য় নাম্বার প্রশ্নটি হচ্ছে আপনাকে জানতে বলেছি সেই অঞ্চলের মানুষ র্সাচ করতে কি কি কিয়ওর্য়াড ব্যবহার করে। এটা আপনি আমি আইডিয়া করতে পারবো না। এর জন্য প্রয়োজন অনলাইন টুলস যেমন Google Keyword Planner । এই টুলসের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন দেশের বা প্রদেশ কিংবা বড় শহরের মানুষ কি লিখে সার্চ দেয় সেটা জানতে পারবেন। তাছাড়াও আপনার ব্রান্ড নাম ব্যবহার করে অনায়াসে সার্চ ইন্জিনে র‌্যাঙ্ক করতে পারেন।

সঠিক ডোমেইন নেম নির্বাচন কিভাবে সার্চ ইন্জিনে প্রভাব রাখে?

আসলে ডোমেইনের সাথে নাম মিলে গেলেই যে রেজাল্ট পেজে আপনার ওয়েব সাইট শো করবে এমন কোন কথা নাই। তবে আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ যদি কোয়ালিটি সম্পন্ন হয় তাহলে আপনার দ্বারা র‌্যাংক করানো সহজেই সম্ভব। ধরুন আপনি Fabrics এর ব্যবসা করেন। এখন আপনি চান কেউ Fabrics লিখে গুগলে র্সাচ দিলেই যেন আপনার ওয়েবসাইটিকে দেখায়। চলুন এবার সরাসরি গুগলে দেখি।
ডোমেইন নেম প্রভাব

 

উপরের চিত্রতে লক্ষ্য করুন দশটি রেজাল্টের চারটি রেজাল্ট র্মাক করা হয়েছে যেখানে কিওর্য়াডের উপস্থিতি রয়েছে ডোমেইনের মধ্যে। সুতরাং এটুকু আমার মনে হয় সবাই বুঝতে পেরছেন ডোমেইনের নাম কিভাবে র‌্যাংকিং এ প্রভাবিত করে। ডোমেইন এর নামের মাঝে কিওয়ার্ড থাকলে র‌্যঙ্ক করতে সুবিধা হয় তবে নাম থাকলেই র‌্যঙ্ক হবে এমন ধারনা ভুল।

ডোমেইন নির্বাচনের সময় যা যা মাথায় রাখবেন!

১. কিওর্য়াডের ব্যবহার:
কিওর্য়াড ব্যবহার করলেই যে আপনার সাইট টপলিষ্টে দেখাবে এমন নয়। অবশ্যই মানসম্পন্ন কন্টেন্ট রাখতে হবে। আপনাকে সবসময় গুনগত মানের কন্টেন্ট সব ক্ষেত্রেই রাখতে হবে। ডোমেইনে কিওর্য়াড ব্যবহারের ফলে উপরের চিত্রের মতো রেজাল্ট প্রর্দশনে সহায়তা করবে। এমন কিওর্য়াড ব্যবহার করা ভালো যার মাসিক সার্চ ভলিউম মোটামুটি ভালো এবং ডিফিকাল্টি স্কোর কম।

২. সঠিক এক্সটেনশন ব্যবহারঃ
এক্সটেনশন ডোমেইন এর শেষে ব্যবহার করা হয় যেমন .com .net .org ইত্যাদি। আমি বিভিন্ন আন্তজার্তিক এক্সর্পাটদের মতামত পড়েছি এবং আমার প্রাকটিক্যাল নোলেজ থেকে বলতে পারি .com এর উপরে কোন ডোমেইন এক্সটেনশন হয় না (অ্যাফিলিয়েট-ব্লগ-সিপিএ)। তাই আপনাদে বার বার আমি আমি অনুরোধ করবো .com এক্সটেশরে ডোমেইন পছন্দ করতে। যদি না পান সেক্ষেত্রে .net বা .org এর ডোমেইন ক্রয় করতে। আর যদি ইকমার্স ওয়েব সাইটের জন্য ডোমেইন কিনতে চাইলে .com.bd ভালো হবে। যেহেতু বাংলাদেশে সরকারী সেবায় মানুষ সন্তুষ্ট নয় সেকারনে com.bd এর বদলে  bd শব্দটি আপনার আপনার ডোমেইন-এ রাখতে পারেন bdshop.com এর মতো।  তাছাড়া আপনার বাজেট বেশী থাকলে আপনি যেকোন ধরনের ডোমেইন ক্রয় করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন কম টাকায় .xyz টাইপের ডোমেইন ক্রয় করে এসইও বাজেট ১০ গুন করবেন না।

২. সহজে উচ্চারন করা যায়:
এটা আপনার সাইটকে ব্রান্ডিং করতে এবং ভিজিটরের মনে রাখতে সহায়তা করবে। এক্ষেত্রে স্যাটিসফাইড একটজন ভিজিটর আপনার সাইট পুনরায় ভিজিট করার সম্ভাবনা এবং আপনার ব্রান্ডিং এর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আপনার ডোমেইন নেমটি সহজেই লিখতে বলতে পারা গেলে আপনার সাইটটি পপুলার হবার সম্ভাবনা বেশী থাকে।
৩. ছোট নাম ব্যবহার:
ছোট নাম অবশ্যই আপনার অনলাইন ব্যবসার জন্য ভালো ভিজিটর যেমন মনে রাখতে পারে আবার বহুমুখী সুবিধাও পাওয়া যায়।
৪. অঞ্চলভিত্তিক ডোমেইন:
ধরুন আপনি একটা প্রোডাক্ট আপলোড করতে যাচ্ছেন যা আপনি অস্ট্রেলিয়ার মার্কেটের জন্য প্রমোট করতে চান। আপনাকে অবশ্যই আপনার ডোমেইনের শেষে আঞ্চলিক এক্সটেনশন ব্যবহার করতে হবে যেমন domainname.com.au এখন আপনি যদি বাংলাদেশে প্রোডাক্ট প্রোমট করতে চান তাহলে আপনাকে .bd ব্যবহার করা উচিৎ হবে। বাংলাদেশের অনেকেই এটা এখন বুঝতে পারছে না যখন কম্পিটিশন শুরু হবে তখন বুঝবে।
৫. হাইপেন এবং নাম্বার পরিহারঃ
বেশ কিছু কারনে এক্সর্পাটেরা হাইপেন (-) এবং নাম্বার (১২৩ ইত্যাদি) পরিহার করতে বলে। আমার ব্যক্তিগত মত হাইপেন এবং নাম্বার পরিহার করা সেটা উচ্চারনের জন্যই হোক আর বানান ভুল হওয়ার কারনেই হোক। একটা উদাহরন দেই আমাকে আমাকে আমার বন্ধু সার্কেল বা অনলাইন কমুনিটিতে Shamim Gypsy নামে চেনে। এখন যদি তাদের আমার সাইটের নাম বলি শামীম হাইপেন জিপসী ডট কম এটা নিশ্চয় বেমানান শোনায়! তার পরেও অনেকেই ভুল করে হাইপেন বাদ ShamimGypsy.com লিখে ব্রাউজারে লগিন করতে পারে। এর চেয়ে হাইপেন বাদ দিয়ে ডোমেইনের নাম নির্বাচন করা কি ভালো নয়?
৬. ইউনিকঃ
ডোমেইনের নাম পছন্দ করার আগে দেখে নিন ওই নামে অন্য কোন ব্রান্ড আছে কি না। যদি থেকে থাকে তবে সেই নামটি পরিহার করাই উত্তম। একই নাম হলে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধায় পড়ার সম্ভাবনা আছে। আমি মনে করি এসব ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ায় ভালো।
৭. সহজবোধ্যঃ
বিস্বাস করুন আর নাই করুন আপনার সাইটের কন্টেন্ট যদি ভালো হয় একটা সহজবোধ্য নাম আপনার ওয়েব সাইট কে আরও জনপ্রিয় করতে পারে।
৮. সোসাল মিডিয়ায় নাম এবং ইউআরএলঃ
যেহেতু আমি এসইও নিয়ে কাজ করি তাই সোসাল মিডিয়াতে নামটি ইউআরএল সহ ফাকা আছে কি না এটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ন বিষয়। বর্তমান সময়ে সোসাল মিডিয়া ভালো ভুমিকা রাখছে কিওয়ার্ড র‌্যাংকিং এর ক্ষেত্রে। যেকোন ডোমেইন নির্বাচনের ক্ষেত্রে আগে সোসাল মিডিয়াতে সেম ইউআরএল অব্যবহৃত আছে কিনা একটু যাচাই করে নেবেন।

আশা করি ডোমেইন নির্বাচন বা পছন্দ করার প্রাথমিক বিষয় গুলো মোটামুটি বঝতে পেরেছেন। কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। ভালো লাগলে শেয়ার করবেন , আমার পরবর্তী লেখার অনুপ্রেরনা আপনার শেয়ার।

8 thoughts on “কিভাবে ডোমেইন নেম নির্বাচন অথবা পছন্দ করবেন?

  • February 28, 2017 at 6:03 am
    Permalink

    thnx sir onek upokari post

    Reply
  • April 4, 2017 at 5:14 am
    Permalink

    Seriously sir u have explained it so easily … Thank u sir

    Reply
  • April 29, 2017 at 3:13 pm
    Permalink

    It is wonderful guide for me and think you very much for actual advice.

    Reply
  • October 28, 2017 at 7:29 am
    Permalink

    অনেক সুন্দর করে ব্যাখ্যা ডোমেইন নির্বাচন । আশা করি আমার মত অনেকেই উপকৃত হবে । ধন্যবাদ স্যার ।

    Reply
    • October 28, 2017 at 12:48 pm
      Permalink

      ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য!

      Reply

Leave a Reply to Dipa rahman mim Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *